আকাশের এক কোণে একফালি মেঘ জমাট বেঁধেছে,
যেন কোনো পুরোনো চিঠির ছেঁড়া অংশ,
যাতে কোনো নাম লেখা নেই,
কেবল এক ফোঁটা শুকনো কালির দাগ।
নদীর চড়ে কুয়াশার প্রথম পাতলা আস্তরণ,
সবটুকু যে বলে ফেলে, সে তো কোলাহল,
যেটুকু লুকিয়ে রাখে নিজের গভীরে,
সেখানেই বাঁচে কোনো গোপন ভীতি আর অনুরাগ।
তুমি তো জানো, শব্দে যা লেখা যায়,
তার চেয়ে কত গুণ বেশি থেকে যায় অস্ফুট,
বাতাসের শনশন ধ্বনিতে,
কিংবা শিউলি ঝরার নীরব সকালে।
আমরা দুজন দাঁড়িয়ে ছিলাম
সেই ক্ষীয়মাণ আলোর তোরণে,
যেখানে কথা বলা নিষেধ ছিল না,
কিন্তু নীরবতাই ছিল একমাত্র ভাষা।
কিছুটা উন্মোচিত আলোর রেখা,
বাকিটা রয়ে গেল অন্ধকারের নিভৃত ঘরে—
তুমি যাকে ধুলো ভেবে পাশ কাটিয়ে গেলে,
আমি তাকেই কবিতা ভেবে বুকে তুলে নিলাম।
